রবিবার , ২০ মে ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন ১০ মে পর্যন্ত

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন ১০ মে পর্যন্ত

এপ্রিল ২২, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ১০ মে পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. মো আক্তারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এদিন কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে হাজির না করে কাস্টরি পাঠান কারা কর্তৃপক্ষ। কাস্টরিতে লেখা হয় খালেদা আজ শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অপরদিকে খালেদার আইনজীবী সানা উল্লাহ মিয়া জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন।

আদালত শুনানি শেষে আগামী ১০ মে পর্যন্ত খালেদার জামিন বৃদ্ধি করেন এবং মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য একই দিন ধার্য করেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, তিনি অসুস্থ। কী কারণে তাঁকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে না, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি আদালত। এর আগে আরো তিনবার এ মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। এ রায় ঘোষণার পরপরই পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*