রবিবার , ২০ মে ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত
মেধাবী আইনজীবীর পাশাপাশি বিশিষ্ট লেখক তানজিম আল ইসলাম

মেধাবী আইনজীবীর পাশাপাশি বিশিষ্ট লেখক তানজিম আল ইসলাম

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৮

সুপ্রিম কোর্টের একজন তরুন এবং প্রতিভাবান আইনজীবী হচ্ছেন জনাব তানজিম আল ইসলাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও বিচার বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর ২০০৮ সালে আইনজীবী হিসেবে সনদ নেন এবং আইন পেশা শুরু করেন। তার বাবা মো: সিরাজ আবিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বারের একজন সিনিয়র দেওয়ানি আইনজীবী। মূলত বাবার সাথেই আইন পেশায় তার হাতেখড়ি। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম এন্ড এসোসিয়েটস এ প্রায় সাত বছর এসোসিয়েট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি নিজে ল ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তার ল ফার্মে পাচজন এসোসিয়েট রয়েছেন। তিনি সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানীর প্যানেল ল’ইয়ার এবং আইন উপদেষ্ঠা হিসেবেও কাজ করছেন। ভয়েস নামের একটি বেসরকারি সংস্থার চিফ ল কনসালটেন্ট।

ইতিমধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে কয়েকটি জনস্বার্থ মামলা বা পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (পিআইএল) দায়ের করে দেশব্যাপি পরিচিতি লাভ করেছেন। এরমধ্যে শরনার্থী বিষয়ে আইনের নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগে একটি জনস্বার্থে রিট দায়ের করেছিলেন তিনি। কয়েক বছর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাথে যেন দুর্ব্যবহার না করা হয় এ বিষয়েও একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন।এছাড়া রাষ্ট্রয়াত্ত তিন ব্যাংকের নিয়োগ নিয়ে সম্প্রতি একটি আলোচিত রিটের আইনজীবী হিসেবেও তিনি ছিলেন। সিটিসেলের কয়েকজন কর্মচারীদের পক্ষে বেতন-বোনাস চেয়ে শ্রম আদালতেও মামলা দায়ের করেছেন তিনি। বর্তমানে সাইবার ল এবং সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে গবেষনা করছেন বিদেশী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে।

আইন পেশার পাশাপাশি তিনি আইন এবং মানবাধিকার বিষয়ক লেখক হিসেবেও সুপরিচিত। মূলত ছাত্রজীবন থেকেই তার লেখালিখি শুরু। ২০০৩ থেকে দৈনিক যুগান্তর এর আইন আদালত পাতায় আইন বিষয়ক লেখালেখি শুরু করেন। পরবর্তীতে দৈনিক সমকালে বিচারের বানী পাতায় প্রদায়ক হিসেবে কাজ করেন এবং ২০০৭ সাল থেকে দৈনিক প্রথম আলোর আইন অধিকার পাতা সম্পাদনার দায়িত্বে নিয়োজিত হন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর প্রথম আলোর আইন অধিকার পাতা সম্পাদনা করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রথম আলো সহ অন্যান্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পত্রিকা এবং জার্নালে নিয়মিত লেখালেখি করছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোতেও অংশগ্রহন করেছেন। তিনি আইন অঙ্গনের লোকজনের কাছে মেধাবী আইনজীবীর পাশাপশি একজন বিশিষ্ট লেখক হিসেবেও গন্য।তার ছয়টি আইন বিষয়ক বই প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রতিটি বই-ই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। শূন্য দশকের একজন কবি হিসেবেও তার খ্যাতি আছে। তার দুটি কবিতার বইও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন সেজুতি এবংউল্লেখ নামে দুটি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনাও করেছেন।

বর্তমানে ২২/১,তোপখানা রোড, শিশুকল্যান পরিষদ ভবন (৬ষ্ঠ তলা) এ তার ল ফার্ম অবস্থিত।দেওয়ানি, ফৌজদারি, কর্পোরেট, কোম্পানী, সাংবিধানিক আইন, ব্যাংকিং, শ্রম আইন, সালিশ আইন, মেধাস্বত্ত্ব আইন,পারিবারিক আইনসহ সাইবার আইন নিয়ে প্র্যাকটিস করছেন।

তিনি দেশ বিদেশে বিভিন্ন আইন এবং মানবাধিকার বিষয়ক সেমিনার এবং ওয়ার্কশপেও নিয়মিত অংশগ্রহন করেছেন। ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ইন্টারনেট ফ্রিডমলিটিগেশন বিষয়ে আর্ন্তজাতিক সেমিনারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
বইপড়া এবং দেশ বিদেশ ভ্রমণ করায় তার আসক্তি রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*