রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ || ১১ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

রিফাত হত্যা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা হতে পারে আজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বরগুনা প্রতিনিধি: বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা হতে পারে আজ। এছাড়া উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও শেষ। আজ আবার তার জামিনের আবেদন করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মামলার ধার্য তারিখ থাকায় সকাল ৯টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে এ মামলায় কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকেও। পুলিশি কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে আদালত প্রাঙ্গনজুড়ে। আদালতে আসা সকল বিচারপ্রার্থীদের তল্লাশি করে ঢোকানো হচ্ছে আদালতে।

আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, মিন্নি ব্যাতীত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে নয়জন আসামির পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যেই মিন্নিকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য আদালতে আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি। আজ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মিন্নির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি খণ্ডন করবেন। এরপর আদালত এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন।

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনও পলাতক।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এ মামলায়।

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন, রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

লেখক পরিচিতি

Responses