রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ || ১১ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

সোনা চোরাচালান মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সোনা চোরাচালান মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ডেস্ক রিপোর্ট:-

সোনা চোরাচালানের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার হাইজ্যাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ চার্জশিট গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২২ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে আসা বিজি-৮৭ ফ্লাইটের যাত্রী নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার বড় আলমদি গ্রামের বাসাদ মিয়ার ছেলে মোহাম্মাদ আল আমীনের ব্যাগ তল্লাশি করে এককেজি করে ৫টি, একটি ৫০০ গ্রাম এবং ১০০ গ্রাম করে ওজনের ১৮টি সোনার বার উদ্ধার করেন শুল্ক গোয়েন্দারা । এর মোট ওজন ৭ কেজি ৩০০ গ্রাম।ওই ঘটনায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান সোনা চোরাচালানের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর গ্রেফতারকৃত আসামি মোহাম্মাদ আল আমিন ওই বছর ২৬ আগস্ট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সোনা চোরাচালান মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জবানবন্দিতে জামান, সোহেল, সেলিম ও রমজান নামে চার জনও ওই সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে তিনি প্রকাশ করেন। ওই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মচারী মো. ইয়াছিন মিয়া ওরফে সেলিমকে গ্রেফতার করে।মামলাটি তদন্তের পর ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড টান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড স্মাগলিং টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান ২০১৬ সালের ২১ জুলাই ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, আল আমিন, জসিম উদ্দিন, নূর-ই আলম, শংকর সরকার, শহিদুল ইসলাম বাবু, ইয়াছিন ওরফে সেলিম ও ইব্রাহিম শেখকে অভিযুক্ত করেন। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ও ইব্রাহিম শেখকে পলাতক এবং অপর আসামিদের গ্রেফতার দেখানো হয়।মোট ১৬ জন আসামির নাম প্রকাশ পেলেও ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করায় ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত ২০১৭ সালের ৯ মার্চ সিআইডির কাছে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য প্রেরণ করে।

২০১৭ সালের ৩০ মার্চ থেকে সিআইডি মামলাটি অধিকতর তদন্ত শুরু করে এ বছর ৭ জুলাই সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সেখানেও চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন পলাতক আসামির তালিকায় আছেন।

 

লেখক পরিচিতি

Responses