নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জাফর আহমেদকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। তবে এসআই দাবি করেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। গতকাল মঙ্গলবার(১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে ক্লোজ করা হয়।
যশোর সদর উপজেলার বানিয়ারগাতী এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ওই গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী ঘুনি এলাকার একটি ফিড মিলের শ্রমিক। তার স্বামী অসুস্থ। সে কারণে তিনি স্বামীর বাড়িতে সচরাচর থাকেন না। তার বাবার সিঙ্গিয়ার বাড়ি থেকে মিলে যাতায়াত করেন। ওই যাতায়াতের পথে পরিচয় হয় এসআই জাফর আহমেদের সঙ্গে। বেশ কয়েক মাস ধরে এসআই জাফর নিয়মিত ওই নারীর বাবার বাড়িতে যাতায়াত করে আসছেন। এভোবে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পেরে তাদের হাতেনাতে ধরার কৌশল নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ওই নারীকে দিয়ে শহরের মোল্লাপাড়ার একটি বাড়ি ভাড়া করে সেখানে যাতায়াত করতেন।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) রাতে ওই নারী হঠাৎ করে তার শ্বশুরবাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১২টার দিকে ওই বাড়ির একটি ঘরে এসআই জাফর যান। এলাকার লোকজন বুঝতে পেরে ওই ঘরে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় তিনি পেছনের একটি দরজা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পিটুনি দেয়।
সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার কর্মকর্তারা সেখানে যান এবং এসআই জাফরকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে জাফরকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।
জানতে চাইলে এসআই জাফর আহমেদ তাকে ক্লোজ করার খবর নিশ্চিত করেন। কী কারণে ক্লোজ করা হয়েছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। এর চেয়ে বেশি কিছু আমার মুখ থেকে বের হচ্ছে না। আমার সংসার আছে। আমি সেটা নিয়ে ভাবছি। আপনারা তদন্ত করে দেখেন আসল ঘটনা কী।’
কোকোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। অন্য কোনো কারণ আমার জানা নেই।’




Discussion about this post