মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর একটির আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন তার স্ত্রী। মীর কাসেমের স্ত্রী খন্দকার আয়শা খাতুন মানবকণ্ঠকে জানান, তার স্বামী তাকে বলেছেন ‘মৃত্যুর অন্তিম মূহুর্তে আমি ভীতু নই। ইসলামের জয় হবেই হবে। তবে মৃত্যুর আগে ছেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো না। তার দেখার অপেক্ষায় রয়েছি। তাকে দেখে যেতে না পারায় আক্ষেপ রইল।’
কারা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ৩ টা ৩৮ মিনিটে ছয়টি মাইক্রোবাসে করে কাসেম আলীর স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ, তাদের শিশু সন্তান ও স্বজনসহ ৪২জন কাশিমপুর কারাগারে উপস্থিত হন। এদের মধ্যে ৩৭ জনকে সাক্ষাতের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।
তখন সাংবাদিকদের কাছে মীর কাসেমের স্ত্রী মীর কাসেমের আক্ষেপের কথা বলেন।
কারা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ৩ টা ৩৮ মিনিটে ছয়টি মাইক্রোবাসে করে কাসেম আলীর স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ, তাদের শিশু সন্তান ও স্বজনসহ ৪২জন কাশিমপুর কারাগারে উপস্থিত হন। এদের মধ্যে ৩৭ জনকে সাক্ষাতের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।
তখন সাংবাদিকদের কাছে মীর কাসেমের স্ত্রী মীর কাসেমের আক্ষেপের কথা বলেন।




Discussion about this post