মঙ্গলবার , ২৫ জুন ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টায় অধ্যক্ষসহ তিনজন রিমান্ডে

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টায় অধ্যক্ষসহ তিনজন রিমান্ডে

এপ্রিল ১০, ২০১৯

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে (১৮) কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলাসহ তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরাফ উদ্দিন আহম্মেদ এ আদেশ দেন।

কোর্ট ইন্সপেক্টর গোলাম জিলানী জানান, মাদরাসাছাত্রীর গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনায় আটক অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলার ৭ দিন, একই মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন ও সহপাঠী আরিফুল ইসলামের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন করেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন তাদের প্রত্যেকের ৭দিন করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পৃথকভাবে এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার একই আদালতে নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে আটক অধ্যক্ষের শ্যালিকার মেয়ে উম্মে সুলতানা পপি ও মামলার এজহার নামীয় আসামি যোবায়ের হোসেনকে আদালতে তোলা হয়েছে। তাদেরও ৭দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে। এ ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। গত ৬ এপ্রিল (শনিবার) সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। এ সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে- এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চার তলায় যান। সেখানে মুখোশপরা ৪-৫ জন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

দগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.