সোমবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
এক মাননীয় মন্ত্রী, খেলোয়াড় ও একজন পেশাজীবী

এক মাননীয় মন্ত্রী, খেলোয়াড় ও একজন পেশাজীবী

মে ১, ২০১৯

American constitution বলে check and balance করে রাষ্ট্রীয় অঙ্গ সমুহ চলবে কিন্তু ইদানীং বাংলাদেশে দেখা যায় কার কত ক্ষমতা তা প্রদর্শন করতে পারলেই মনে হয় সব উদ্ধার হয়ে গেল। যেকোন উন্নয়ন করার বেলায় আমরা উন্নত দেশের উদাহরণ দেই। কিন্তু প্রশাসনিক কর্ম কান্ডের বেলায় বাংলাদেশের সাংসদ, মন্ত্রী, এম পি গন কতটা মেনে চলেন। মাননীয় মন্ত্রী অনেক কিছু বলেছেন সবই শুনলাম অবাক হলাম মনে হলো তিনি কেবল একজনের মন্ত্রী । মাননীয় মন্ত্রী সবার তিনি কারও একার জন্য নয়। আবার এম পি সাহেব এলাকায় তদারকি করবেন খুবই ভাল কিন্তুু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গিয়ে উনার মিডিয়া ব্যবহার কতটা যৌক্তিক জানি না। আমাদের দেশে মিডিয়া অবাধ ব্যবহারটাও কোথাও কোথাও সুশাসনে অন্তরায় হয়, আবার অনেক উপকারীও বটে।অন্যদিকে এমন পেশায় এসে রোগিদের রেখে কেন্দ্র খালি রাখা কতটা নিষ্ঠুরতা যার রোগী কেবল সেই টেরপান। তাই বলে সবাই এক রকম নন। ভালদের নিয়ে কারও সংসয় নাই। ব্যক্তিগত দক্ষতা কখনও কেউ কারওটা নিতে পারেন না। ডাঃ, খেলোয়াড় , রাজনীতি এক নয় যার যার দক্ষতা তার তার। একে অন্যের পরিপূরক। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে, সবাই সবাইকে সম্মান করলেই তো সংঘাত হয়না। যার পরিসীমা যত টুকু তার সীমা মেনে চললে এমন কথা উঠত না। সংবিধানকে মেনে চলার সঠিক ব্যবস্থাপনা করেন সরকার, তার অভিভাবক আদালত তাই তাকে স্বাধীনভাবে অভিভাবকত্ব করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে সবার মাঝেই ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করার প্রবনতা বাড়বে। যখন আইন মানার প্রবনতা কমে যায় তখন কেউ কাউকে মানবে না এটা প্রাকৃতিক নিয়ম। আদালতের সঠিক বিচার ব্যবস্থা রাখার জরুরী টা গ্রীকরা বুঝেছিল বলেই রাষ্ট্র যন্ত্রে বিচার ব্যবস্থাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সঠিক বিচার করার তাগিদ দিয়ে ছিল। একজন আইনের ছাত্র হিসেবে আশা করি দ্রুত জনগন বিষয় গুলো অনুধাবন করবে।

লিখেছেনঃ মো ইমরান হোসাইন রুমেল, লেখক ও আইনজীবী সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.