বুধবার , ২০ নভেম্বর ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
প্রকাশিত হয়েছে খাইরুল ইসলাম (তাজ) এর বহুল প্রত্যাশিত জুরিসপ্রুডেন্স অ্যান্ড লিগ্যাল থিওরি (আইন শাস্ত্র)

প্রকাশিত হয়েছে খাইরুল ইসলাম (তাজ) এর বহুল প্রত্যাশিত জুরিসপ্রুডেন্স অ্যান্ড লিগ্যাল থিওরি (আইন শাস্ত্র)

মে ৮, ২০১৯

জুরিসপ্রুডেন্স বা আইনবিজ্ঞান কোর্সটি অনেক শিক্ষার্থীর জন্য রীতিমত ভীতিকর এবং দুর্বোধ্য। ইংরেজি ভাষায় হওয়ার কারণে তা আরও কঠিন। সেজন্য বাংলা ভাষায় এ রকম একটি বই হওয়া যারপরনাই জরুরী। আইন শাস্ত্র হিসেবে পরিচিত জুরিসপ্রুডেন্স তথা আইনবিজ্ঞান বই লেখা দুঃসাহসিক কাজ বটে। সুদীর্ঘ এক বছরের নিবিড় গবেষণার ফল হিসেবে অতি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে খাইরুল ইসলাম তাজ এর বাংলা ভাষায় লিখিত গ্রন্থ জুরিসপ্রুডেন্স অ্যান্ড লিগ্যাল থিওরি। শিক্ষার্থী মহলে বাংলায় এটি সর্বাধিক পরিচিত আইনবিজ্ঞান বা আইন শাস্ত্র নামে।

বইটি প্রকাশ করেছে- ইউনিভার্সিটি পাবলিকেশন্স, ঢাকা।

মৌলিক বৈশিষ্ট্য- অনন্য মৌলিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে এই বইতে থাকছে- মোট ৬৫০ পৃষ্ঠা, মোট ৪,২৭৫ প্যারা, মোট ১৭,৮৫০ বাক্য, মোট ১,৮৫,০০০ শব্দ।

উৎসর্গ দেশের আদালতে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে সব বিচারক/ বিচারপতি/ আইনজীবী/ আইন গবেষক/ শিক্ষক মূল্যবান অবদান রেখেছেন, সে সব বিশেষজ্ঞকে বইটি উৎসর্গীকৃত।

বইটি নিয়ে বিশেষজ্ঞ অভিমত- যারা দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, আপীল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এস এম খসরু প্রমুখ।

 

উপমহাদেশের বিখ্যাত আইনজ্ঞ ভি ডি মহাজন এর রচিত জুরিসপ্রুডেন্স অ্যান্ড লিগ্যাল থিওরি বইটির ধাপ, ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে খাইরুল ইসলাম (তাজ) এর বইটির ভাষান্তর করা হয়েছে এবং রচনা করা হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ম্যাক্সিম আছে, যেগুলোর বাংলা করতে গেলে হযবরল অর্থ দাঁড়ায়। সেক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষা রেখে দেওয়াই বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। খাইরুল ইসলাম (তাজ) এর জুরিসপ্রুডেন্স অ্যান্ড লিগ্যাল থিওরি বইটিতে এরকম কিছু অপরিবর্তনীয় পরিভাষা পাওয়া যাবে। অনেক বড় বাক্যকে কয়েকটি সহজ বাক্যে ভেঙ্গে যথাযথ অর্থ রেখে বর্ণনা করা হয়েছে। বিভিন্ন আইন বিশেষজ্ঞ এবং মনীষীদের প্রাসঙ্গিক সংজ্ঞা ও বাণী বইটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। মোট ত্রিশ টি অধ্যায়ে এবং দুটি অংশে গোটা বইকে ভাগ করা হয়েছে। ফলে তা হয়েছে সহজপাঠ্য।

আইনের সংজ্ঞা থেকে শুরু করে এর ইতিহাস, বিশ্বব্যাপকতা, সৃষ্টির কৌশল, সমাজ-দেশ ইত্যাদির সাথে এর সম্পর্ক, আইনের উৎস, আইন ব্যবস্থা, আদালত ব্যবস্থাপনা, আইন নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ/তত্ত্ব- সব কিছুই বইটিতে সবিস্তারে উপস্থাপিত হয়েছে।

যাদের জন্য উপযোগী- শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষক, আইনজীবী, বিচারক, অনুসন্ধিৎসু পাঠক প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.