বুধবার , ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
খালেদা জিয়ার বড়পুকুরিয়ার চার্জ শুনানি ৫ সেপ্টেম্বর

খালেদা জিয়ার বড়পুকুরিয়ার চার্জ শুনানি ৫ সেপ্টেম্বর

জুলাই ১৮, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য আসামির বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এদিন মামলাটির চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন থাকার কারণে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে হাজির করেননি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কেরানীগঞ্জ কারাগারের পাশে দ্বিতীয় ভবনের অস্থায়ী ২নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এএইচএম রুহুল ইমরানের আদালত এ দিন ঠিক করেন।

আজ আদালতে তার পক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ শুনানি পেছানোর জন্য করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

মামলায় অভিযুক্ত আসামির সংখ্যা ১৩ জন। কিন্তু জামায়াত নেতা নিজামী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর ও ব্যারিস্টার আমিনুল হক মারা যাওয়ায় এখন আসামির সংখ্যা ১০ জন।

কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনকে (সিএমসি) সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির মধ্য দিয়ে সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মৃত), সাবেক স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মৃত), সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ (যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৫ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল কাসেম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ১৬ জন আসামির মধ্যে ৬ আসামি মারা গেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.