রবিবার , ২৫ আগস্ট ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
মাদ্রাসা ছাত্রী দিপ্তীর ধর্ষণ ও হত্যায় মূল আসামি গ্রেফতার

মাদ্রাসা ছাত্রী দিপ্তীর ধর্ষণ ও হত্যায় মূল আসামি গ্রেফতার

জুলাই ২০, ২০১৯

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের মাদ্রাসা ছাত্রী দিপ্তীর হত্যাকারীকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা। আসামির নাম মো. সাজ্জাদ হোসেন খান।

মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পে র‌্যাব-৮ এর কামার্ন্ডিং অফিসার আতিকা ইসলাম সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকের এ কথা জানান।

গ্রেফতার আসামি মো. সাজ্জাদ হোসেন খানের স্বীকারোক্তি উল্লেখ করে দিপ্তির হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন আতিকা ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ১৩ জুলাই অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার ও পরে মাদ্রাসাছাত্রী দিপ্তীর লাশ হিসাবে পরিচয় পাওয়ার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেন মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা। এলাকার পরিত্যাক্ত পুকুরে ১৮ জুলাই আবার তল্লাশি করে র‌্যাব। সেখান থেকে এইটি ব্যাগে দিপ্তীর পোশাক পাওয়া যায়।

এই সূত্র ধরে র‌্যাব ব্যাপক তদন্ত শুরু করে। তাদের তদন্তে ১৯৯২ সালে শিশু হত্যা করার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাভোগ করে ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানের জড়িত থাকার ব্যাপারটি নজরে পড়ে। তাই সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ র‌্যাবের কাছে দিপ্তীকে ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করে।

সাজ্জাদ হোসেনের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ করে র‌্যাব-৮ এর কমান্ডিং অফিসার আতিকা ইসলাম জানান, ১১ জুলাই বোনের বাসা থেকে শহরের চরমুগরীয়ায় চাচার বাসায় যাওয়ার জন্য ইটেরপোল এলাকা থেকে একটি ইজিবাইকে ওঠেন দিপ্তী। ইজিবাইকে আর কোনো যাত্রী না থাকায় এবং প্রচুর বৃষ্টি থাকায় ইজিবাইকচালক সাজ্জাদ দিপ্তীকে জোর করে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে দিপ্তীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে লাশটি গুম করার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে কয়েকটি ইটসহ দিপ্তীর পোশাকবিহীন লাশটি বেঁধে পরিত্যাক্ত পুকুরে ফেলে দেয়। দুই পর লাশটি ভেসে উঠলে দিপ্তী হত্যার ঘটনাটি সামনে চলে আসে।

উল্লেখ্য, ১৩ জুলাই মাদারীপুরের পূর্ব খাগদি এলাকার একটি পরিত্যাক্ত পুকুর থেকে নগ্ন ও বিকৃত অবস্থায় এক কিশোরির লাশ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরের দিন দিপ্তীর বাবা হাসপাতালে এসে লাশটি তার মেয়ের বলে নিশ্চিত করে এবং অজ্ঞাতনামা আসামি করে মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.