মঙ্গলবার , ১০ ডিসেম্বর ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত
সড়ক আইন কার্যকরের প্রতিবাদে ৬ জেলায় বাস ধর্মঘট

সড়ক আইন কার্যকরের প্রতিবাদে ৬ জেলায় বাস ধর্মঘট

November 19, 2019

ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে খুলনা, যশোর, নড়াইল, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহে দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ধর্মঘট চলছে। আগে থেকে ঘোষণা না থাকায় ধর্মঘটের কারণে বিপাকে পড়েছেন এসব জেলার সাধারণ যাত্রীরা। নতুন আইন কার্যকরের ঘোষণার পর চালকরা নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে চালকরা।

এর ফলে যশোরের ১৮টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ আছে। বাস চলাচল বন্ধ আছে ঝিনাইদহের সব রুটে। ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস বন্ধ থাকায় মহাসড়কে নিষিদ্ধ তিন চাকার যানবাহনে করে চলাচল করছেন যাত্রীরা। বাস চলাচল বন্ধ আছে, নড়াইলের বিভিন্ন রুটে।

ঝিনাইদহে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে স্থানীয় বাস শ্রমিকরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। ঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না চাকুরিজীবীসহ অন্যান্য সাধারণ যাত্রীরা। স্থানীয় সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও ঢাকাসহ দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। বাস চালকরা নতুন সড়ক আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।

নতুন সড়ক ও পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে মেহেরপুরে আন্তঃজেলার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। রবিবার বেলা ১১টার দিকে বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নেন চালকরা। ফলে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া, মেহেরপুর মুজিবনগর সড়কে লোকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

মেহেরপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান জানান, বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চালকরা। তারা সড়ক পরিবহন আইনের বেশ কিছু ধারা সংশোধন চান। এটা ইউনিয়নের কোনো সিদ্ধান্ত নয়। আগামী ২১ নভেম্বর পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নেতৃবৃন্দ বৈঠকে বসবেন। এ সভা থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

নতুন সড়ক আইন সংশোধনের দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট। আজ মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা থেকে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা রুটে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকালে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকাগামী কয়েকটি পরিবহন ছেড়ে গেলেও সেগুলো ঝিনাইদহ থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। গন্তব্যস্থলে যেতে হচ্ছে ইজিবাইক ও শ্যালোচালিত যানবাহনে। এই সুযোগে এসব যানবাহনে ভাড়া দ্বিগুণ নিচ্ছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

এদিকে, নতুন সড়ক আইনকে অযৌক্তিক বলে দাবি করে দ্রুত আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন গাড়ির চালকরা।

About বিডি ল নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.