রবিবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সদ্যপ্রাপ্ত
হাসপাতাল ছেড়েছেন ঢাবির সেই ছাত্রী

হাসপাতাল ছেড়েছেন ঢাবির সেই ছাত্রী

January 9, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কুর্মিটোলায় ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই ছাত্রী হাসপাতাল ছেড়েছেন। তবে তাকে এক সপ্তাহ পর ওই শিক্ষার্থীকে ফলোআপের জন্য হাসপাতালে আসতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে বাড়ি যান তিনি।

ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেয়েটি সব ধরনের ট্রমা ও সমস্যা কাটিয়ে এখন সুস্থ আছে। তাই বোর্ড চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রিলিজ দেয়া হয়েছে।

পরিচালক আরো জানান, যাওয়ার আগে ওই ছাত্রীর বাবা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশবাহিনী ও ঢামেক কর্তৃপক্ষে এবং যারা যারা ওই ছাত্রীকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং যেসব সাংবাদিক ওই শিক্ষার্থীর পাশে ছিলেন তাদের সবাইকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি দিয়ে গেছেন।

উল্লেখ্য, গেল রবিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর ঢাবি ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করে। পরে রাত ১০টার দিকে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছালে রাত ১২টার পর তাকে ঢামেক জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। ঘটনাস্থল চিহ্নিত করে আলামত সংগ্রহ করে পুলিশ। পরে বুধবার ভোরে আসামি মজনুকে রাজধানীর শ্যাওড়া থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মজনু ওই ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ত থাকার তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব সূত্র। গ্রেপ্তার করা মজনুকে গতকাল সন্ধ্যায় ডিবির হাতে তুলে দেয়া হয়।

About বিডি ল নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.