শনিবার , ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সদ্যপ্রাপ্ত
ফারমার্সের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

ফারমার্সের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

January 22, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়া হয়। দুদকের সহকারী কর্মকর্তা মো. সহিদুর রহমান এ মামলার তদন্ত করছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখার সাবেক এভিপি ও ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঁইয়া (৪২), বসুন্ধরা শাখার সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ম্যানেজার (অপারেশন) মাহবুব আহমদ (৩৮) এবং বসুন্ধরা শাখার সাবেক অফিসার ও ক্রেডিট ইনচার্জ মো. কাওসার হোসেন (৩৮)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে আজমীর ইলেকট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী আফরোজা বেগম ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) বসুন্ধরা শাখায় একটি চলতি হিসাব খোলেন। খোলার পর ওই হিসাবে তিনি কোনো লেনদেন করেননি এবং কোনো চেকবই গ্রহণের জন্য আবেদনও করেননি। কিন্তু গ্রাহককে না জানিয়ে আসামিরা বিভিন্ন সময়ে সেই অ্যাকাউন্টে অর্থের লেনদেন করেন এবং গ্রাহকের ছবি, কাগজপত্র ও স্বাক্ষর জাল করে গ্রাহকের নামে ৫০ পাতাবিশিষ্ট একটি চেকবই ইস্যু করেন।

পরবর্তীতে আফরোজা বেগম ব্যাংক থেকে ১ কোটি টাকা ঋণের আবেদন করলে আসামিরা সে আবেদন পরিবর্তন করে আজমীর ইলেকট্রনিক্স নামে ভিন্ন একটি আবেদন হিসেবে তা সংরক্ষণ করেন। আবেদনকৃত ১ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ৮০ লাখ টাকা মঞ্জুর করা হলে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল স্বাক্ষর দিয়ে এবং গ্রাহক সশরীরে উপস্থিত আছে মর্মে প্রত্যয়ন দিয়ে ৭৭ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা হয়। তদন্তকালে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বর্ণিত ধারায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

About বিডি ল নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.