রবিবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত

কেউ আইনের বাহিরে নয় এবং আইনের অজ্ঞতা ক্ষমার যোগ্যও নয়,তাই জেনে নিন জীবনের প্রয়োজনীয় কিছু আইন ও এর শাস্তি

জানুয়ারি ১৯, ২০১৩

law in daily lifeমোঃ জাহিদ হোসেন<>আইন হলো বিভিন্ন নিয়ম কানুনের সমষ্টি যা মানুষের আচার আচরন নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশে প্রণয়ন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ আইন জানে না। আইন সম্পর্কে জানার আগ্রহও নেই অনেকের। অনেকে মনে করেন আইন, বিচার, অপরাধ, শাস্তি এসব আইনের ছাত্র, শিক্ষক ও আইনজীবীদেরই চিন্তা ভাবনার বিষয়। কিন্তু দেশের সভ্য নাগরিক হিসেবে সবাইকে অবশ্যই দেশের আইন কানুন মেনে চলতে হয় এবং নিজের প্রয়োজনেই জনগণকে আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। কেউ আইনের বাহিরে নয় এবং আইনের অজ্ঞতা ক্ষমার যোগ্যও নয়। আপনাদের সকলের জানা প্রয়োজন এমন কিছু আইনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ও এসব মান্য না করার শাস্তি নিয়ে নিম্মে আলোচনা করা হলঃ

১.বাল্যবিবাহ
কোন ব্যাক্তি কোন শিশুকে বাল্যবিবাহ করতে বা করাতে বাধ্য করতে পারবে না। এখানে শিশু বলতে ঐ ব্যক্তিকে বুঝাবে যার বয়স পুরুষ হলে একুশ বছরের নিচে এবং নারী হলে আঠার বছরের নিচে। বাল্যবিবাহ বলতে ঐ বিবাহকে বুঝায় যেখানে বিবাহের পক্ষগণের যে কোন একপক্ষ শিশু। শিশু বিবাহকারী একুশ বছরের নিচে পুরুষ লোকের শাস্তি বালিত করা হয়েছে। কেউ একুশ বছরের বয়সোর্ধ্ব পুরুষ বা আঠারো বয়সোর্ধ্ব মহিলা হয়ে কোন বাল্যবিবাহের চুক্তি করলে, একমাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাসে বা এক হাজার টাকা পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য জরিমানায় বা উভয়বিধ শাস্তিযোগ্য হবে। কেউ যেকোন বাল্যবিবাহের অনুষ্ঠান পরিচালনা বা নির্দেশ দিলে তিনি এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাসে বা এক হাজার টাকা পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য জরিমানায় বা উভয়বিধ দন্ডে শাস্তিযোগ্য হবেন যদি না তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে ঐ বিয়ে কোন বাল্যবিবাহ ছিল না। যেক্ষেত্রে কোন নাবালক কোন বাল্যবিবাহের চুক্তি করে সেক্ষেত্রে ঐ নাবালকের ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি যেমন পিতা-মাতা হোক বা অভিভাবক হোক বা অন্য কেউ হোক, আইনসম্মত হোক বা বেআইনী হোক যদি ঐ বিয়েতে উৎসাহ দেন, অথবা বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া হতে নিবারণ করতে অবহেলার কারনে ব্যর্থ হন তাহলে তিনি এক মাস পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য বিনাশ্রম কারাবাসে বা একহাজার টাকা পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য জরিমানায় বা উভয়বিধ দন্ডে শাস্তি পাবেন। তবে কোন মহিলাকে কারাবাসের শাস্তি দেওয়া হবে না।

২.যৌতুক
যদি কোন ব্যক্তি যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করে অথবা প্রদান বা গ্রহণে প্ররোচনা বা উৎসাহ দেয় তা হলে তার পাঁচ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে এবং এক বৎসরের কম নয় এমন কারাদন্ডে বা জরিমানায় কিংবা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হবেন। যদি কোন ব্যক্তি বর বা কনের পিতামাতা বা অভিভাবকের নিকট হতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন যৌতুক দাবি করে তা হলে তিনি পাঁচ বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য এবং এক বৎসর মেয়াদের কম নয় এমন কারাদন্ডে বা জরিমানায় বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হবেন।

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য কোন নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর

চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম করেন বা সাধারণ জখম করেন তা হলে ঐ স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি – মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে ঐ দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। মারাত্মক জখম করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বছর কিন্তু কম পক্ষে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং ঐ দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। সাধারণ জখম করার জন্য অনধিক তিন বছর কিন্তু কম পক্ষে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং ঐ দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

৩.ইভ টিজিং
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশে সেই নারী যাতে শুনতে পায় এমনভাবে কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সেই নারী যাতে দেখতে পায় এমনভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা সেই নারীর গোপনীয়তার অধিকার লংঘন করে কিংবা ঐ নারী কোন নির্জন স্থানে রয়েছে এমন কোন স্থানে যথার্থ কারণ ছাড়া প্রবেশ করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার বিনা শ্রম কারাদণ্ডে কিংবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৪.যৌন পীড়ন
যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে তার যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তার শরীরের যে কোন অঙ্গ বা কোন বস্তু দ্বারা কোন নারী বা শিশুর যৌন অঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করেন বা কোন নারীর শ্লীলতাহানি করেন তাহা হলে তার এই কাজ হবে যৌন পীড়ন এবং তার জন্য ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু কম পক্ষে তিন বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

কোন প্রতিষ্ঠানের কোন কাজে কোন মহিলা নিযুক্ত থাকলে, তিনি যে পদমর্যাদারই হোন না কেন, তার প্রতি ঐ প্রতিষ্ঠানের অন্য কেহ এমন কোন আচরণ করতে পারবেন না যা অশ্লীল কিংবা অভদ্রজনোচিত বলে গণ্য হতে পারে, কিংবা যা ঐ মহিলার শালীনতা ও সম্ভ্রমের পরিপন্থী। (ধারা ৩৩২,বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬)

৫.পারিবারিক সহিংসতা
নিজের পারিবারের কোন নারী বা শিশুদের সদস্যের উপর কোন প্রকার শারীরিক, মানসিক, যৌন নির্যাতন করা যাবে না এবং আর্থিক ক্ষতিও করা যাবে না। এখানে পারিবারের বলতে রক্ত সম্বন্ধীয় বা বৈবাহিক সম্পর্কীয় কারণে অথবা পালক বা যৌথ পরিবারের সদস্য হবার কারণে প্রতিষ্ঠিত কোন সম্পর্ককে বুঝাবে। শারীরিক নির্যাতন বলতে এমন কোন কাজ বা আচরণ করাকে বুঝাবে, যার দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির (এমন কোন শিশু বা নারী যিনি পারিবারিক সম্পর্ক থাকবার কারণে পরিবারের অপর কোন সদস্য দ্বারা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন বা হচ্ছেন বা সহিংসতার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন) জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা থাকে এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কাজ করতে বাধ্য করা বা প্ররোচনা প্রদান করা বা বলপ্রয়োগ করাও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। আর মানসিক নির্যাতন বলতে মৌখিক নির্যাতন, অপমান, অবজ্ঞা, ভীতি প্রদর্শন বা এমন কোন উক্তি করা, যার দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হয়রানি অথবা ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অর্থাৎ স্বাভাবিক চলাচল, যোগাযোগ বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা মতামত প্রকাশের উপর হস্তক্ষেপ করাকেও মানসিক নির্যাতন বুঝাবে। যৌন নির্যাতন বলতে যৌন প্রকৃতির এমন আচরণ যার দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি হয়। এবং আর্থিক ক্ষতি বলতে আইন বা প্রথা অনুসারে বা কোন আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা, সম্পদ বা সম্পত্তি লাভের অধিকারী তা হতে তাকে বঞ্চিত করা অথবা তার উপর তার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র প্রদান না করা, বিয়ের সময় প্রাপ্ত উপহার বা স্ত্রীধন(হিন্দু আইনে) বা অন্য কোন দান বা উপহার হিসাবে প্রাপ্ত কোন সম্পদ হতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা বা এর উপর তার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করা। তাছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন যে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি তার অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা বা এর উপর তার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান অথবা পারিবারিক সম্পর্কের কারণে যে সকল সম্পদ বা সুযোগ-সুবিধাদিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির ব্যবহার বা ভোগদখলের অধিকার রয়েছে তা হতে তাকে বঞ্চিত করা বা এর উপর তার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করাও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। কেউ সুরক্ষা আদেশ বা এর কোন শর্ত লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে এবং তার জন্য তিনি অনধিক ৬(ছয়) মাস কারাদন্ড বা অনধিক ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন এবং অপরাধ পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড বা ১ (এক) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। এছাড়া আদালত উপযুক্ত মনে করলে কোন অপরাধীকে এসব শাস্তি প্রদান না করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরণের সমাজকল্যাণমূলক কাজে সেবা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কেউ এই আইনের অধীনে কোন মিথ্যা মামলা করলে তা হলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

৬.নারী ও শিশু নির্যাতন
কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কাজ করে যার কারণে ঐ নারীর সম্ভ্রমহানি হয় এবং এর প্রত্যক্ষ কারণে আত্মহত্যা করে তাহলে ঐ ব্যক্তি ঐ নারীকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করবার অপরাধে তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হয়েছেন এমন নারী বা শিশুর সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্য কোন তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করতে হবে যাতে করে ঐ নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায়। এ নিয়ম লংঘন করলে দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোন ভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তা হলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশে ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তা হলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন ঐ ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

৭.এসিড নিক্ষেপ
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির উপর এসিড নিক্ষেপ করেন বা করবার চেষ্ট করেন তা হলে তার এধরণের কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি হোক বা না হোক তিনি অনধিক সাত বৎসর কিন্তু কম পক্ষে তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। যদি কোন ব্যক্তি এসিড নিক্ষেপে সহায়তা করেন এবং সেই সহায়তার ফলে ঐ অপরাধ সংঘটিত হয় বা অপরাধটি সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তা হলে ঐ অপরাধ সংঘটনের জন্য বা অপরাধটি সংঘটনের চেষ্টার জন্যও নির্ধারিত দণ্ডে সহায়তাকারী ব্যক্তি দণ্ডনীয় হবে।
৮.ধর্ষণ
যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন তা হলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিয়ে ছাড়া ষোল বছরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতি ছাড়া বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে অথবা ষোল বছরের কম বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ছাড়া যৌন সঙ্গম করেন তা হলে তিনি ঐ নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে ধরা হবে। যদি কোন ব্যক্তি ধর্ষণ করার ফলে বা ধর্ষণ পরবর্তী তার অন্য কোন কার্যকলাপের ফলে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে তা হলে ঐ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত কম পক্ষে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষন করেন এবং ধর্ষণের ফলে ঐ নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন তা হলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত কম পক্ষে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে- ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন তা হলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। আর ধর্ষণের চেষ্টা করলে ঐ ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু কম পক্ষে পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষিতা হন তা হলে যাদের হেফাজতে থাকাকালীন ঐ ধরণের ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে বা যেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষিতা নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়ী ছিলেন, তিনি বা তারা প্রত্যেকে ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হলে হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য অনধিক দশ বৎসর কিন্তু কম পক্ষে পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

৯.ধূমপান
কোন ব্যক্তি কোন পাবলিক প্লেসে অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত অফিস, গ্রন্থাগার, লিফট, হাসপাতাল, ক্লিনিক ভবন, আদালত ভবন, বিমানবন্দর ভবন, সমুদ্র বন্দর ভবন, নৌ-বন্দর ভবন, রেলওয়ে স্টেশন ভবন, বাস টার্মিনাল ভবন, ফেরি, প্রেক্ষাগৃহ, আচ্ছাদিত প্রদর্শনী কেন্দ্র, থিয়েটার হল, বিপণী ভবন, পাবলিক টয়লেট, সরকারী বা বেসরকারীভাবে পরিচালনাধীন শিশু পার্ক এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত যে কোন স্থান এবং পাবলিক পরিবহণে অর্থাৎ মোটর গাড়ী, বাস, রেলগাড়ী, ট্রাম, জাহাজ, লঞ্চ, যান্ত্রিক সকল প্রকার জল-যানবাহন, উড়োজাহাজ এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত যে কোন যানে ধূমপান করা অর্থাৎ কোন তামাকজাত দ্রব্যের ধোঁয়া শ্বাসের সাথে টেনে নেওয়া বা বাহির করা এবং কোন প্রজ্বলিত তামাকজাত দ্রব্য ধারণ করা বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কোন ব্যক্তি এ বিধান লংঘন করলে তিনি অনধিক পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

১০.নিষিদ্ধ সংগঠন করা ও সমর্থন
যদি কোন ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য হন বা সদস্য বলে দাবী করেন তা হলে তিনি অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

যদি কোন ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ সংগঠনকে সমর্থন করবার উদ্দেশ্যে কাউকেও অনুরোধ বা আহবান করেন, অথবা নিষিদ্ধ সংগঠনকে সমর্থন বা তার কর্মকাণ্ডকে গতিশীল ও উৎসাহিত করবার উদ্দেশ্যে কোন সভা আয়োজন, পরিচালনা বা পরিচালনায় সহায়তা করেন, অথবা বক্তৃতা প্রদান করেন, তা হলে তিনি অপরাধ করবেন। যদি কোন ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য সমর্থন চেয়ে অথবা তার কর্মকাণ্ডকে সক্রিয় করবার উদ্দেশ্যে কোন সভায় বক্তৃতা করেন অথবা রেডিও, টেলিভিশন অথবা কোন মুদ্রণ বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোন তথ্য সম্প্রচার করেন, তা হলে তিনি অপরাধ সংঘটন করবেন। যদি কোন ব্যক্তি এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তা হলে তিনি অনধিক সাত বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও আরোপ করা যাবে।

১১.আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ অর্থ-কোন প্রকার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা বেআইনী বল প্রয়োগ করে-কোন ব্যক্তি, বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে চাঁদা, সাহায্য বা অন্য কোন নামে অর্থ বা মালামাল দাবী, আদায় বা অর্জন করা বা অন্য কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা আদায় করা বা আদায়ের চেষ্টা করা; বা স্থলপথ, রেলপথ, জলপথ বা আকাশপথে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা বা বিঘ্ন সৃষ্টি করা বা কোন যান চালকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যানের গতি ভিন্ন পথে পরিবর্তন করা; অথবা
ইচ্ছাকৃতভাবে কোন যানবাহনের ক্ষতিসাধন করা; অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সরকার, বা কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বা কোন প্রতিষ্ঠান, বা কোন ব্যক্তির স্থাবর বা অস্থাবর যে কোন প্রকার সম্পত্তি বিনষ্ট বা ভাংচুর করা; অথবা কোন ব্যক্তির নিকট হতে কোন অর্থ, অলংকার, মূল্যবান জিনিসপত্র বা অন্য কোন বস্তু বা যানবাহন ছিনতাই এর চেষ্টা করা বা ছিনতাই করা বা জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়া; অথবা কোন স্থানে, বাড়ী-ঘরে, দোকান-পাটে, হাটে-বাজারে, রাস্তা-ঘাটে, যানবাহনে বা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে বা আকস্মিকভাবে একক বা দলবদ্ধভাবে শক্তির মহড়া বা দাপট প্রদর্শন করে ভয়ভীতি বা ত্রাস সৃষ্টি করা বা বিশৃংখলা বা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা; অথবা কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বা কাউকে দরপত্র গ্রহণ করতে বা না করতে বাধ্য করা; অথবা কোন সরকারী বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বা তার কোন নিকট আত্মীয়কে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে ঐ কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে কোন কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করা কিংবা তার দায়িত্ব পালনে কোন প্রকারের বাধা সৃষ্টি করা।

এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করলে তার জন্য আদালত সে বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হবে। কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে তিনি উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নেই জেনেও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তা হলে প্রথম ব্যক্তি কম পক্ষে দুই বৎসর এবং অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

১২.পর্নোগ্রাফি
পর্নোগ্রাফি বলতে বুঝায় যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই। এছাড়াও যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুর্ন বা লিফলেটও পর্নোগ্রাফি বলে ধরা হবে। পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ করা এমন কি বহন, সরবরাহ, ক্রয়, বিক্রয়, ধারণ বা প্রদর্শন করা ও গুরুতর অপরাধ। কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করলে বা ভয় ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে ঐ ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করলে তিনি এ ধরণের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করলে তিনি এ ধরণের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের মাধ্যমে গণউপদ্রব সৃষ্টি করলে তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যে কোন ভাবে প্রচার করলে অথবা যে কোন উদ্দেশ্যে প্রস্ত্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করলে অথবা কোথায় কোন পর্নোগ্রাফি পাওয়া যাবে এমন স্থান সম্পর্কে কোন প্রকারের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে কেউ কোন যুক্তিসঙ্গত কারন ছাড়া এই আইনে কারো বিরদ্ধে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা করলে বা অভিযোগ করলে তিনি সর্বোচ্চ ২(দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কারণ কোন আইনই কাউকে হয়রানি করা হোক তা সমর্থন করে না। এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করলে তা আমলযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য।

১৩.মোবাইল ও কম্পিউটারের মাধ্যমে হয়রানি
যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাটে বা ফেসবুকে বা অন্যকোন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে যা মিথ্যা ও অশ্লীল যার দ্বারা কারো মানহানি ঘটে বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং এ ধরনের তথ্যগুলোর মাধ্যমে সংলিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হলে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান আছে।

আমরা অনেকে আইন সম্পর্কে জানি না বা ঝামেলা হবে মনে করে আইনের আশ্রয় নি না বলে এসব অপরাধকে দমানো কঠিন হচ্ছে। শুধু মাত্র অপরাধীকে শাস্তি দিয়ে যেমনি শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় তেমনি আইন সম্পর্কে অজ্ঞতাও সেই শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বাধাস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়।

ধন্যবান্তেঃ
মোঃ জাহিদ হোসেন
সভাপতি, হিউম্যান রাইট্স স্টুডেন্ট কাউন্সিল
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট্স ফাউন্ডেশন, চট্রগ্রাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*