সোমবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত

হিন্দু বিয়ের প্রকারভেদ

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

 

মোট ৮ প্রকারের বিয়ে প্রচলিত ছিল হিন্দু সমাজে। এর মধ্যে ৪ প্রকার অনুমোদিত এবং আরও ৪ প্রকার অননুমোদিত।

অনুমোদিত ৪ প্রকারের বিয়ে হল-

ব্রাহ্ম বিবাহ: বেদে যার ভাল জ্ঞান আছে এমন সচ্চরিত্র ব্যক্তি কে আমন্ত্রণ করে এনে উপকৌধন সহ কন্যা সম্প্রদান করা হত। প্রথমে এই বিয়ে ব্রাহ্মণ সমাজে প্রচলিত থাকলেও পরে সকল বর্নের হিন্দু এই বিয়ে প্রথা অনুসরণ করা শুরু করেছে এবং এটাই এখন হিন্দু সমাজে প্রচলিত।

দৈব: এরূপ বিবাহে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত পুরোহিত কে গুরু দক্ষিনার পরিবর্তে কন্যা সম্প্রদান করা হত। এই বিয়ের প্রচলন এখন আর নেই।

অর্শ বিবাহ: কন্যার পিতাকে ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করার জন্য এক জোড়া গো-মহিষ দিয়ে পাত্র কন্যাকে পত্নীরূপে গ্রহন করতো।

প্রজাপত্য বিবাহ: এই বিবাহে অবিবাহিত পাত্র কন্যার পিতার নিকট তার কন্যা কে বিয়ে করার অনুমতি প্রার্থনা করতো।

অননুমোদিত বিবাহ:

গান্ধর্ব বিবাহ: বর কনের মনের মিলনের ফলে অনুষ্ঠিত হয় বিয়েটি। বর্তমান যুগের Love Marriage এর মতই। এই বিয়েতে যুবক যুবতী তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী একে অপরকে স্বামী- স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে। বর্তমানে বিয়েটির কোন প্রচলন নেই এবং এটি একটি নিন্দনীয় বিয়ে।

অসুর বিবাহ: এই বিয়েতে কনের পিতা পাত্র পক্ষের নিকট পণ বা মূল্য দাবি করতো, পাত্রপক্ষ পণ/মূল্য দিতে সক্ষম বা সম্মত হলেই বিয়ে হত।

রাক্ষস বিবাহ: কুমারী কন্যা কে জোরপূর্বক ছিনিয়ে/অপহরণ করে নিয়ে বিয়ে করাকে রাক্ষক বিবাহ বলে।

পৈশাচ বিবাহ: কুমারী কন্যা কে যদি কোন ব্যক্তি ঘুমন্তঅবস্থায় বা অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করতো তবে সে ব্যক্তি তার স্বামী হতে পারতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*