সোমবার , ২০ আগস্ট ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত

নরওয়েতে ধর্ষণ প্রতিরোধে ক্লাস করানো হচ্ছে

জুন ৭, ২০১৮

বিডি ল নিউজঃ

নরওয়েতে অভিবাসীদের জন্য ধর্ষণ প্রতিরোধে ক্লাস করানো হচ্ছে। অভিবাসীদের তাদের সার্বিক সহায়তার জন্য নরওয়েজিয়ানদের উদ্যোগে সেখানে বিশেষ ক্লাসের মাধ্যমে অনেক বিষয়ে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে, যাকে বলা হচ্ছে কালচারাল কোডিং ক্লাস।

এ দেশটির মতো একটি উদার পশ্চিমা সমাজে এসে নতুনভাবে জীবন শুরু করা তাদের অনেকের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। সিরিয়া, ইরাক ও ইথিওপিয়া থেকে আসা নারীরা এখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাও দেখানো হচ্ছে তাদের। খবর বিবিসির।

নরওয়ের জনসংখ্যা ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ। তাদের মধ্যে চার লাখ এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা অভিবাসীরা। এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে থেকে আসা চার লাখের বেশি অভিবাসীকে জায়গা দিয়েছে নরওয়ে। তাদের পূর্ণাঙ্গভাবে সহায়তার জন্য এই কালচারাল কোডিং ক্লাস করানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন মার্গারেট বার্গ । তিনি বলেন, এই কোর্সে গুরুত্ব দেয়া হয় নিরাপত্তার জন্য একদল নারীকে একতাবদ্ধ থাকার বিষয়টিকে। আজকের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা। কিন্তু ভিন্ন এক সংস্কৃতির মাঝে কিভাবে শিশুদের বড় করে তুলতে হয় সে বিষয়েও তাদের সচেতন করা হয়।

মার্গারেট বার্গ বলেন, এটা বেশ ভালো কাজ করছে। এই কোর্সের শেষে তাদের কাছে প্রশ্ন থাকে যে, অভিভাবক হিসেবে তাদের সবচেয়ে বেশি হতাশ করবে কোন বিষয়টি? যদি আপনার মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয় সেটি?নাকি-যদি আপনার ছেলেটি কাউকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, সেটি?”

অনেক আলাপ-আলোচনার পর আমরা যে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাই সেটি হল, এমন ক্ষেত্রে মেয়েটি হয় ঘটনার শিকার অর্থাৎ ভুক্তভোগী সে। কিন্তু ছেলে সন্তানটি যদি হামলাকারী হয় সেটি বাবা-মার জন্য বেশি হতাশাজনক।

ইথিওপিয়া থেকে আসা অভিবাসী ওয়ারকিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণে আমি জানতে পারলাম যে আমার সঙ্গে কোনো কিছু ঘটলে কোথায়, কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। সেই সঙ্গে কেউ যৌন হয়রানির কিংবা ধর্ষণের শিকার হলে তাকে কীভাবে সাহায্য করতে হবে। এই ইস্যুতে এখন আমিও পারবো অন্য কাউকে শেখাতে।

আরেকজন অভিবাসী বেইমনেট বলেছেন, এখানে বিষয়টা হল-কিভাবে আপনি আপনার বাচ্চাদের গড়ে তুলবেন সেটি জানার সুযোগ হচ্ছে। তাদের সঠিক পথে নির্দেশনা দেয়া, ছেলেমেয়ে উভয়কে কিভাবে একজন যোগ্য অভিভাবক হয়ে উঠতে হয়, সেটি এখানে এসে জানতে পারলাম।

তথ্যসূত্রঃ যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*