মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর ফেরিঘাটে পদদলিত হয়ে নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে দিতে নোটিশ

মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর ফেরিঘাটে পদদলিত হয়ে নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে দিতে নোটিশ

মে ১৩, ২০২১ in আইন-আদালত, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের শিবচর কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে পদদলিত হয়ে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ইমেইল ও কুরিয়ারযোগে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালককে লিগ্যাল নোটিশে বিবাদী করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) মানবাধিকার সংস্থা ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওসার এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে  নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব।নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে নিহত প্রত্যেককের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।

তাছাড়া ফেরি পারাপারে যাত্রীদের বীমার আওতায় এনে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনায় সেখান থেকে অর্থ প্রদানের জন্য এবং ফেরিঘাটে সংঘটিত দুর্ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে অনুরোধ করা হয়েছে। তা না হলে আইনি প্রতিকার চেয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ কর হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য সরকার গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা রয়েছে। লকডাউনের সময়ে দূরপাল্লার বাসসহ আন্তঃজেলার যাত্রীবাহী বাস বন্ধ। বাস নিয়ন্ত্রণে সরকারের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ নিয়োজিত রয়েছে। এত কিছুর পরও পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে ঘরমুখো মানুষের জোয়ার ঠেকানো যায়নি।’

‘হাজার হাজার মানুষ গত কয়েকদিনে পদ্মা নদী পার হওয়ার জন্য বিভিন্ন ঘাটে জড়ো হয়েছেন। লকডাউনের কারণে ফেরিগুলো বন্ধ থাকার ফলে হাজার হাজার মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরিঘাটে অপেক্ষমান ছিলেন।’

নোটিশে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমিত সংখ্যক ফেরি চালু করলে হাজার হাজার মানুষ হুড়োহুড়ি করে ফেরিতে উঠে পড়েন। ফেরির যানবাহন রাখার খোলা জায়গায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। প্রখর রোদের তাপে ফেরি যখন বাংলাবাজার ঘাটের কাছাকাছি আসে তখনই অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন যাত্রীরা। পানির পিপাসায় হাঁসফাঁস করতে থাকেন তারা। ফেরি ঘাটে পৌঁছালে অসুস্থ যাত্রীদের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত পাওয়া যায়।

নোটিশে আরও বলা হয়, ফেরিগুলো মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিটিএ’র সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণেই এতগুলো প্রাণ অকালে ঝরে গেছে। তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।

বলা হয়, ‘দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় পাঁচজনের মৃত্যুসহ অসংখ্য মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।’

দেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জীবনের অধিকার একটি মৌলিক অধিকার। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২ -এর সরাসরি লঙ্ঘন করেছেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।।

লকডাউনের মধ্যেই ঈদ : বিশিষ্ট চার আইনজীবীর ভাবনা

লকডাউনের মধ্যেই ঈদ : বিশিষ্ট চার আইনজীবীর ভাবনা

মে ১২, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি

ডেস্ক রিপোর্ট

আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগমন। গতবছরের মতো এবারও করোনাভাইরাস রোধে লকডাউনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঈদ। তাই এবারের ঈদের আনন্দও অনেকটাই পানসে।

করোনাকালীন ঈদ নিয়ে ঢাকা পোস্টের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশের প্রথিতযশা চার বিশিষ্ট আইনজীবী। তারা দেশের মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিশিষ্ট এই আইনজীবীরা হলেন- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সাবেক আইন মন্ত্রী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং সাবেক বিচারপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

করোনাকালীন ঈদ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, গত বছর এবং এই বছর ঈদের চিন্তা ভাবনা তো অন্যরকম। আগে নতুন জামা-কাপড় কিনে আনন্দ করতাম, এখন সেটা সম্ভব না। মহামারির কারণে মানুষ আজ ঘরবন্দি। বাসার নিচেই একটা মসজিদ আছে ঈদে সেখানে নামাজ পড়তে পারি। অথবা ঘরেই ছেলেদের নিয়ে নামাজ পড়ব। নামাজ শেষে স্ত্রীর হাতের রান্না খাবো। বাইরে যাবো না।

 

সবার প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকেই যেন আশপাশের মানুষের খোঁজ খবর নেই, অসহায়দের সহায়তা করি। করোনার মধ্যে ঈদের আনন্দ যেন ভাগ করে নিতে পারি। এই করোনাকালীন ঈদে একে অন্যের প্রতি সহায়তার হাত বাড়াতে হবে। ঈদে আনন্দটা কম হোক, কিন্তু সবাই মিলে যেন আনন্দটা করতে পারি। আর সবাইকে অনুরোধ করব, আমরা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের আনন্দ উপভোগ করি।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ঈদে ঢাকাতেই থাকব। স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ব। আবার বাসায়ও নামাজ পড়তে পারি। তিনি বলেন, এই করোনা মহামারিতে যাদের সম্পদ আছে, তাদের উচিত গরিবদের উদার হাতে সহায়তা করা। ঈদের কোনো উৎসব, কোনো আনন্দ এই মহামারির মধ্যে করা উচিত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাবেক আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, আমি এখন ঘর থেকেই বের হই না। ঈদে বাসায়ই নামাজ পড়ব। সবার প্রতি আহ্বান থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন ঈদের আনন্দ করে। কারণ, যে উপসর্গ দেখা দিয়েছে, এটা বিস্তৃত লাভ করলে মারাত্মক আকার ধারণ করবে। প্রত্যেকের উচিত খুব সাবধানে, সতর্কতার সঙ্গে চলা। যতটুকু না করলেই নয়, এবারের ঈদে ততটুকু আনন্দ করা উচিত।

সাবেক বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, আমি প্রতি বছর শ্যামলী জামে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ি। কিন্তু বয়স্কদের বাসায় নামাজ পড়ার বিষয়ে রাষ্ট্রীয় একটি সিদ্ধান্ত আছে। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত শিথিল হলে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। অন্যথায় বাসায়ই নামাজ পড়ব।

তিনি বলেন, সারাবিশ্ব আজ করোনা আক্রান্ত। আমাদের বয়সের যারা আছেন তাদের অবশ্যই ঘরে থাকা উচিত। এবার খুব সাদামাটাভাবে ঈদ পালন করা উচিত। গরিবদের সহযোগিতা এবং মানুষদের বিভিন্নভাবে বোঝাতে হবে। তারা যাতে বাইরে বের না হয়। ঈদ উপলক্ষে যতটুকু সম্ভব আমি মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করেছি। দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা থেকে যেন আমরা মুক্তি লাভ করতে পারি এটাই হোক এ ঈদের প্রার্থনা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ না কাটতে মৌখিক নির্দেশ হাইকোর্টের

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ না কাটতে মৌখিক নির্দেশ হাইকোর্টের

মে ১১, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট :

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী ২০ মে পর্যন্ত গাছ না কাটার মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।নির্দেশনার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানাতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২০ মে পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (১১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।এর আগে গত ৯ মে আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রেস্টুরেন্ট স্থাপনের জন্য গাছ কাটা বন্ধ করতে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এ মামলা করেন।

তার আগে আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রেস্টুরেন্ট স্থাপনের জন্য গাছ কাটা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আরও একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, গণপূর্ত বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মো. শামিম আখতার এবং চিফ আর্কিটেক্ট অব বাংলাদেশ মীর মনজুর রহমানকে এ নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় প্রতিকার চেয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল। এর প্রতিকার না পেয়ে তারই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়।

এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শতবর্ষী ও বিলুপ্তপ্রায় পাখিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে সেখানকার গাছ না কাটতে সরকার সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠায় ছয়টি সংগঠন ও এক ব্যক্তি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ও গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীকে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

গত ৬ মে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফরমস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), নিজেরা করি, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক) এবং স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মূল ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিনষ্টকরণ হতে বিরত থাকতে, এ উদ্যানের শতবর্ষী ও বিলুপ্তপ্রায় পাখিদের আশ্রয়স্থল বৃক্ষগুলোকে না কাটতে এবং ইতোমধ্যে কর্তন করা বৃক্ষগুলোর জায়গায় একই প্রজাতির তিন গুণ বৃক্ষ রোপণের দাবি জানানো হয়।

রিটকারী শিক্ষকদের নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি এনটিআরসিএতে

রিটকারী শিক্ষকদের নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি এনটিআরসিএতে

মে ১০, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রত্যাশী রিটকারীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি এনটিআরসিএতে পৌছেছে।

সোমবার (১০ মে) বিষয়টি  গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সিদ্দিক উল্ল্যাহ্ মিয়া।

তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় দেড় হাজার চাকরিপ্রত্যাশীকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে ৭ দিন সময় বেঁধে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগ দিয়ে জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন আদালত।

এর পরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে আদেশের অনুলিপিটি গতকাল (৯ মে) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) -এর কাছে পৌঁছেছে। এর ফলে, অফিসের কর্মদিবসের হিসেব অনুযায়ী, এক সপ্তাহের মধ্যে রিটকারী শিক্ষদের নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জাগো নিউজকে জানান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৬ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে ওইদিন আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন হানিফ। এনটিআরসিএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন।

 

 

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী প্রায় দেড় হাজার জনকে এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি এ সময়ের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত।

এর আগে ৭ মার্চ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

একই সঙ্গে নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করতে বলেন আদালত। আদালতের ওই আদেশ বাস্তবায়ন না করায় পুনরায় এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক (এনটিআরসিএ) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। আদালত অবমাননার বিষয়টি নিষ্পত্তি না করে শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ কোনো বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

আইনজীবী ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ (ফরহাদ) বলেন, ‘২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছেন। ওই রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারীদের জন্য সুপারিশ করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

কিন্তু অনেক সময় পার হলেও রায় বাস্তবায়ন না করায় রিট আবেদনকারীরা আদালত অবমাননার আবেদন করেন। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সদনধারীদের মধ্যে রিটকারী প্রায় দেড় হাজার জনকে এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি সাত দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

নতুন অভিনব কায়দায় ছিনতায়ের কৌশল!

নতুন অভিনব কায়দায় ছিনতায়ের কৌশল!

মে ১০, ২০২১ in অপরাধ, আইন-আদালত, বাংলাদেশ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

শতর্কতামূলক প্রতিবেদন:-

আপনারা রাতে যারা গাড়ী চালান এবং হঠাৎ যদি দেখেন আপনার সামনের কাঁচের উপর কেউ ডিম ছুড়ে মেরেছে, দয়া করে গাড়ী থামিয়ে দেখতে যাবেন না কিংবা ওয়াইপার দিয়ে পরিস্কার করতে যাবেন না।
 
ডিমের মিশ্রন পানি দিয়ে পরিস্কার করতে গেলে অনেকটা দুধের মত ঘোলাটে হয়ে কাচের উপর আটকে যায়, এতে সামনে কিছু দেখার সম্ভাবনা কমে যায়, শেষমেশ আপনি সামনে রাস্তার পাশে গাড়ী থামাতে বাধ্য হবেন।
নতুন অভিনব কায়দায় ছিনতায়ের কৌশল!
নতুন অভিনব কায়দায় ছিনতায়ের কৌশল!

ফলাফল, যারা ছিনতাই করতে ডিম ছুড়ে মেরেছিলো, তাদের দলের লোক সামনে ওঁত পেতে বসে থাকে। এ অবস্হায় গাড়ী থামালে আপনার জীবননাশের হুমকি রয়েছে। এই টেকনিক কিছু ক্রিমিনাল গ্যাং শুরু করেছে।

‘আমার ভাষা’ সফটওয়্যারে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ৫টি রায়ের অনুবাদ

‘আমার ভাষা’ সফটওয়্যারে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ৫টি রায়ের অনুবাদ

মে ১০, ২০২১ in আইন-আদালত, উচ্চ আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

‘আমার ভাষা’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চারটি এবং হাইকোর্ট বিভাগের একটি ইংরেজি রায় অনুবাদ করা হয়েছে। রোববার (৯ মে) সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মো. সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ‘আমার ভাষা সফটওয়্যার ব্যবহার করে সুপ্রিম কোর্টের ৫টি ইংরেজি রায় মামলার দুই পক্ষের এবং জনসাধারণের বোঝার সুবিধার্থে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলায় অনূদিত এ রায়কে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহারিক ও সরকারি কাজে শুধুমাত্র আদালতের প্রকাশিত ইংরেজি রায়টিকে যথার্থ বলে গণ্য করা হবে এবং রায় বাস্তবায়নের জন্য ইংরেজি ভাষায় প্রদত্ত রায়টিকেই অনুসরণ করতে হবে।

 

 

অনূদিত রায় ৫টি হলো

আপিল বিভাগের রায়: সিভিল রিভিউ পিটিশন নং ৩১৫/২০১৭ বাংলাদেশ রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ বনাম দিনে আরা বেগম অন্যান্য। সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১৯৭৭/২০১৭ গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড বনাম মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ।

সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১১৮৭/২০১৮ বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য বনাম শাহ জামাল মোল্লা এবং অন্যান্য এবং সিভিল আপিল নং ২৩/২০১০ বাংলাদেশ সরকার বনাম জান্নাতুল ফেরদৌস এবং অন্যান্য।

হাইকোর্ট বিভাগের রায়: ফৌজদারি বিবিধ মামলা নং ২৫৬১৫/২০১৯ মো. নাজমুল হুদা বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য।

রিটকারী শিক্ষকদের নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি এনটিআরসিএতে

ভার্চুয়ালি বিচারকাজ পরিচালনার সময় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ২১ বিচারপতি ও ২৩১ বিচারক

মে ৯, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালতে বিচারকাজ পরিচালনা ও দায়িত্ব পালনের সময় এখন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের ২১ জন বিচারপতি ও অধস্তন আদালতের ২৩১ জন বিচারক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের ২০০ জন কর্মচারী ও অধস্তন আদালতের ৪৫৮ জন কর্মচারীও আক্রান্ত হন।এর মধ্যে অধস্তন আদালতের জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক ও ছয়জন কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন।

রোববার (৯ মে) হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার ও সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি সাধারণ ছুটিতে আদালত বন্ধ রেখে ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর জন্য গত বছরের ২৬ এপ্রিল উদ্যোগ নেয়া হয়।

 

 

এ জন্য সুপ্রিম কোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন ও ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।ওইদিন ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের ৮৮ জন বিচারপতি।

এ অবস্থায় একই বছরের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।দুদিন পর ৯ মে ভার্চুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করা হয় (পরে এটি সংসদে পাস হয়)। এরপর ভার্চুয়ালি বিচারকাজ শুরু হয়।

‘আমার ভাষা’ সফটওয়্যারে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ৫টি রায়ের অনুবাদ

ভার্চুয়ালি ৬ মে পর্যন্ত আপিল বিভাগে ১০ হাজার মামলা নিষ্পত্তি

মে ৯, ২০২১ in আইন-আদালত, উচ্চ আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

করোনার সময় ভার্চুয়ালি গত বছরের ১৩ জুলাই থেকে গত ৬ মে পর্যন্ত সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মোট ১০ হাজার ৩টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।রোববার (৯ মে) সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটিতে আদালত বন্ধ রেখে ভার্চুয়ালি চালানোর জন্য গত বছরের ২৬ এপ্রিল উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য সুপ্রিম কোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন এবং ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ অবস্থায় একই বছরের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

দুই দিন পর ৯ মে ভার্চুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করা হয় (পরে এটি সংসদে পাস হয়)। এরপর ভার্চুয়ালি বিচারকাজ শুরু হয়।এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানান, শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে গত বছরের ১৩ জুলাই থেকে ৬ মে পর্যন্ত সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ১০ হাজার ৩টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের প্রত্যেক বেঞ্চে প্রতিদিন ১০০ জনের বেশি আইনজীবী শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানি করছেন। হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক ফৌজদারি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতেও সর্বস্তরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচার আদালত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। যাতে বিচারপ্রার্থীরা বিভিন্ন আবেদন দায়ের এবং শুনানি করতে পারেন।

সাইফুর রহমান আরও জানান, দ্বিতীয় দফায় ভার্চুয়াল আদালত শুরু হওয়ার পর গত ১২ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত মোট ১৮ কার্যদিবসে সারাদেশে অধঃস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ৫৮ হাজার ৬০৫টি মামলায় জামিনের দরখাস্ত ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং মোট ৩১ হাজার ২০৮ জন হাজতি অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারাগার মুক্ত হয়েছেন।

প্রথম দফায় গত বছরের ১১ মে থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৮ কার্যদিবসে সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ফৌজদারি মামলায় জামিন-দরখাস্ত নিষ্পত্তি এবং ৭২ হাজার ২২৯ জন অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

এ পর্যন্ত মোট দুই দফায় সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ২ লাখ ৫ হাজার ৯৪৪টি ফৌজদারি মামলায় জামিনের আবেদন ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৪৩৭ জন হাজতি জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য এড. শিহাব উদ্দিন মাহমুদ (রতন) আর নেই!

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য এড. শিহাব উদ্দিন মাহমুদ (রতন) আর নেই!

মে ৯, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, চট্টগ্রাম, জেলা আইনজীবী সমিতি, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

 

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য এড. শিহাব উদ্দিন মাহমুদ (রতন) আজ ০৯.০৫.২০২১ইং তারিখে  ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাউজিউন)।

এড. শিহাব উদ্দিন মাহমুদ (রতন) এর জন্ম ঃ ৩০-০১-১৯৬২ সালে। 

 

চট্রগ্রাম জেলা বারের সদস্যবৃন্দ গভীরভাবে শোকাহত। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর পরিবারের সকলের এই দুঃখজনক ক্ষতি ও শোক সহ্য করার জন্য, সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি।মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন, আমিন।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ২ কিশোরী ধর্ষণ : চারজন তিনদিনের রিমান্ডে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ২ কিশোরী ধর্ষণ : চারজন তিনদিনের রিমান্ডে

মে ৯, ২০২১ in আইন-আদালত, কোর্ট প্রাঙ্গণ, সদ্যপ্রাপ্ত, সর্বশেষ সংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে দুই কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ভুক্তভোগী একজনের ‘বন্ধু’ আশিকসহ চারজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার চার আসামিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেক আসামির সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মিশকাত শুকরানা প্রত্যেকের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।মামলার অপর তিন আসামি হলেন- অপু, রিফাত ও ফাহিম।

 

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই কিশোরীর মধ্যে একজনের বয়স ১৮ বছর ও অন্যজনের ১৭ বছর। ওই দুজন পরস্পরের বান্ধবী। গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর তারা কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকার মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে যায়। বিষয়টি তাদের একজনের (১৮) ‘ছেলেবন্ধু’ আশিক জানতে পারেন।

পরে আশিক আবদুল্লাহপুর এলাকায় গিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করে দুজনকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে রাজাবাড়ি এলাকার নির্জন স্থানের একটি ছাপরায় নিয়ে যান। সেখানে আশিকের আরও আট বন্ধু ছিলেন।

একপর্যায়ে আসিফসহ নয়জন ওই দুজনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে তারা রাত ১০টার দিকে বাসায় গিয়ে ঘটনাটি পরিবারকে জানায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একজনের ‘ছেলেবন্ধু’সহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়।