শুক্রবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত

কক্সবাজারে বৈধতা পেল ঐক্যফ্রন্ট ও জামায়াতের চার প্রার্থী

ডিসেম্বর ৩, ২০১৮

কক্সবাজার প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইকালে নানা অভিযোগে স্থগিত হওয়া ঐক্যফ্রন্ট ও জামায়াতের চার প্রার্থী অবশেষে বৈধতা পেয়েছেন। শুনানি শেষে কক্সবাজার-৩ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুর রহমান কাজল ও কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াত নেতা এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, নবম জাতীয় সংসদে কক্সবাজার-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমানে ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন জমা দেয়া ড. আনসারুল করিম এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জাপা মনোনীত প্রার্থী মাস্টার এমএ মনজুরকে বৈধ ঘোষণা দিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। নানা অভিযোগে এ চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

রবিবার সকাল ১০টা থেকে কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে চলা বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চারজনের মনোনয়ন বাতিল ও চারজনের স্থগিত করেছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। বিকেল ৪টা থেকে শুনানি শুরু করে সন্ধ্যার পর তাদের বৈধ বলেই সিদ্ধান্ত দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

এছাড়া কক্সবাজারের মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন, ট্যাক্স ফাঁকি ও সম্পদের পূর্ণ বিবরণী না দেয়ায় কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোহিবুল্লাহ, প্রার্থীর পক্ষে নেয়া স্বাক্ষরে জালিয়াতির অভিযোগে মহেশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক, অসম্পূর্ণ মনোনয়নপত্রের কারণে কক্সবাজার-৩ (সদর- রামু) আসনে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী।

বাছাই কালে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনকে সহযোগিতা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মাসুদুর রহমান মোল্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল আফসার, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বশির আহমদসহ সকল সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলার ৪টি পৌরসভা ও ৭১ ইউনিয়নের ৫১২ ভোটকেন্দ্রের ২ হাজার ৭৩৮ ভোট কক্ষের অধীনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ জন। সেখানে ৭ লাখ ৭ হাজার ৮৩১ পুরুষ এবং ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৩ জন নারী ভোটার।

জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*