রবিবার , ২০ মে ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত
আইনি জিজ্ঞাসাঃ ইমপোর্ট বা আমদানি লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া

আইনি জিজ্ঞাসাঃ ইমপোর্ট বা আমদানি লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া

জানুয়ারি ২০, ২০১৮

প্রশ্নঃ আসসালামুয়ালাইকুম স্যার। আমি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। আমি চাচ্ছি ভারত এবং চীন থেকে কিছু পণ্য কিনে এনে বাংলাদেশে বিক্রি করতে। এক্ষেত্রে আমাকে কি কি করতে হবে?

উত্তরঃ বাংলাদেশি কোন ব্যক্তি ভারত কিংবা চীন থেকে কোন পন্য আনতে হলে তাকে প্রথমেই ইমপোর্ট বা আমদানি লাইসেন্স করতে হবে। আর এই আমদানি লাইসেন্স করতে আপনার যেসব কাগজপত্র লাগবে সেগুলো হচ্ছেঃ

১) ট্রেড লাইসেন্স; প্রথমেই আপনার ব্যবসা করার জন্য আপনার নিজ নামে বা প্রতিষ্ঠানের নামে একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে।

২) TIN সার্টিফিকেট; আপনার বা প্রতিষ্ঠানের নামে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার থাকতে হবে।

৩) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র;

৪) ব্যাংক সচ্ছলতা সনদ; ব্যাংক থেকে প্রদত্ত সলবেন্সি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

৫) পাসফোর্ট সাইজের ছবি।

উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলো নিয়ে আপনি আমদানি ও রপ্তানী নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর থেকে আমদানি লাইসেন্স এর জন্য আপ্লাই করতে পারেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে আমদানি লাইসেন্স প্রদান করা হবে। আমদানি লাইসেন্স পাওয়ার পরে এবার আপনাকে ভারত বা চীন থেকে একজন বিক্রেতা খুঁজতে হবে এবং তার থেকে আপনার পছন্দমাপিক পন্য কেনার জন্য অর্ডার করতে হবে। উক্ত বিক্রেতা হয়ত আপনার থেকে LC চাইতে পারে। LC চাইলে আপনাকে একটি ব্যংক থেকে বিক্রেতার নামে একটি LC  খুলতে হবে। এরপর LC কাগজ বিক্রেতার কাছে পাঠাতে হবে। আর LC পেলেই বিক্রেতা আপনার পন্য জাহাজে বা বিমানে বা অন্য কোন গাড়ীতে পাঠিয়ে দিবে। আপনার পন্য বাংলাদেশ বর্ডারে আসলে সেখানে আপনাকে আমদানি শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এর পরে আপনার পন্য আপনি নিয়ে আসতে পারবেন।

এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন, এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম।
এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট।

আইন সম্পর্কিত আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদেরকে ইমেইল বা ইমো/হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করে জানাতে পারেন, আমরা আপনার প্রশ্নটি দিয়ে আরেকটি ‘আইনি জিজ্ঞাসা’র পর্ব তৈরি করার চেষ্টা করবো। আমাদের ইমেইল: ainadalotbd@gmail.com, ইমো/হোয়াটসঅ্যাপ: 01921535513.

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*