বুধবার, ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ || ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

ডিক্রিজারী মামলা বদলী করার দরখাস্ত!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
ডিক্রিজারী মামলা

ডিক্রিজারী মামলা কি?

রায় এবং ডিক্রি পাবার পর বিবাদী যদি নিজ থেকে আদালতের আদেশ না মানে তবে আদালতের নিকট বাদীর বিষয়টি উল্লেখ করে এবং ডিক্রির কপি ও প্রয়োজনীয় দলিল আদালতে সোপর্দ করে আদালতের নিকট রায় মানানোর জন্য বা আরো সহজে বলতে গেলে রায় যেহেতু মানা হচ্ছে না তা মানানোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একটি আবেদন করতে হয় আর এই আবেদনটি একটি মোকদ্দমার দায়ের করে করতে হয়, যাকে আমরা জারি মামলা / মোকদ্দমা বলে থাকি বা ডিক্রিজারী মামলা বা ডিক্রি সম্পাদনের মামলা বলে থাকি।

ডিক্রিজারী মামলা বদলী করার দরখাস্ত!

মোকামঃ রাজশাহীর যুগ্ন প্রথম জেলা জজ আদালত

দেওয়ানী ডিক্রিজারী মামলা নং ১১/২০২১
এম এস মিরাজ…..বাদী/ডিক্রীদার

বনাম

আব্দুল লতিফ…..বিবাদী/দায়িক

 

বিষয়ঃ- দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ ধারার অধীন ডিক্রীদারের  আবেদন।
বিনীত নিবেদন এই যে , ১।ডিক্রীদার বাদী স্বরুপে অর্থ আদায় ও ঘোষণামূলক প্রতিকারের নিমিত্ত দায়িককে বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত করিয়া অত্র আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা নং ২/২০২০ দায়ের করেন।

২।মোকদ্দমাটি সাম্প্রতিক কালে ডিক্রী হয়েছে।

৩। ডিক্রী কার্যকরী করিবার নিমিত্ত বাদী-ডিক্রিদার উপরোক্ত নম্বর দেওয়ানী ডিক্রীজারী মামলা দায়ের করেন।

৪। বাত্বব ব্যাপার এই যে অত্র আদালতের এখতিয়ারাধীন ভৌগোলিক এলাকায় দায়িকের এমন কোন সহায়-সম্পত্তি নাই যাহা দ্বারা ডিক্রীটিকে সন্তুষ্টি মোতাবেক কার্যকরী করা যেতে পারে।

৫। মোকাম রাজশাহীর চাপাইনবাবগন্জ এর প্রথম যুগ্ন জেলা জজ আদালতের ভৌগলিক এখতিয়ারাধীনে দায়িকের নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি বিদ্যমান রয়েছে।

৬।  উপরোক্ত কারণ ও অবস্থাধীনে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অত্র ডিক্রীজারী মামলাটিকে কার্যকরী করার জন্য মোকাম চাপাইনবাবগন্জ এর যুগ্ন প্রথম জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করা একান্ত আবশ্যক, অন্যথায়  ডিক্রীদার বিনা দোষে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন এবং ডিক্রীদারের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হইবে।

অতএব , প্রার্থনা, উপরোক্ত কারণ ও অবস্থাধীনে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অত্র ডিক্রিজারী মামলা কার্যকরী করিবার নিমিত্ত মোকাম চাপাইনবাবগ্নজ জেলার যুগ্ন প্রথম জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করিবার যথাবিহিত আদেশ দানে সুবিচার করিতে হুজুরের মর্জি হয়।

হলফনামা
আমি, এম এস মিরাজ , পিতা: হাবিব মিয়া , বয়স ৫০ বছর,থানা: মতিহার, জেলা: রাজশাহী, ধর্ম: ইসলাম, পেশা: ব্যাবসা, জাতীয়তা: বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ পূর্বক ঘোষণা করিতেছি যেঃ-

১। আমি অত্র মোকদ্দমার দরখাস্তকারী  এবং অত্র মোকদ্দমার যাবতীয় ঘটনা ও তথ্যাদি সম্পর্কে উত্তম রুপে জ্ঞাত আছি।

২।অত্র হলফনামা এবং ইহার সহিত সংযোজিত দরখাস্তে উল্লেখিত যাবতীয় বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাতে অদ্য ২১/০১/২০২১ ইং তারিখ বেলা ১১:০০ টার সময় অত্র আদালতের হলফনামা কমিশনার সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।

হলফকারী
স্বাক্ষর, তাং

হলফকারী আমার ‍পরিচিত। তিনি আমার সম্মখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন।আমি তাহাহে অদ্য ২১/০১/২০২১ ইং তারিখে বেলা ১১:০০ ঘটিকার সময় অত্র আদালতের হলফনামা কমিশনার সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।

আইনজীবী
স্বাক্ষর, তাং

বিদেশী রায় বাতিল ঘোষণা করার দরখাস্ত
বিদেশী রায় বাতিল ঘোষণা করার দরখাস্ত!

Courts by which decrees may be executed

Transfer of decree.

39.(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,-

(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or

(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or

(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or

(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court.

(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.

lawfornations.abm@gmail.com, মোবাইল: 01842459590.

Responses

লেখক পরিচিতি