সোমবার, ২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ || ১৩ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

সালমান শাহের মৃত্যু : পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানি ১০ ডিসেম্বর

সালমান শাহের মৃত্যু : পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানি ১০ ডিসেম্বর
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন মর্মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর।

রবিবার (১১ অক্টোবর)  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

কিন্তু এদিন চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর মামলার বাদী সালমান শাহের মা নারাজি দেবেন বলে সময়ের আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ।শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে প্রতিবেদনের ওপর গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন এ দিন ঠিক করেন।

রবিবারের শুনানিতে আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বলেন, ‌‘সালমান শাহ’র মৃত্যুর ঘটনায় আমাদের কাছে যেসব সাক্ষ্যপ্রমাণ ছিল সব আদালতের মাধ্যমে আমরা পিবিআইকে সরবরাহ করেছি। এরপরও তদন্তে সেসব সাক্ষ্যপ্রমাণের প্রতিফলন ঘটেনি। মামলার বাদী সালমান শাহের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেব।’

বিজ্ঞাপন

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ রহস্যজনকভাবে মারা যান। সেসময় অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি। একাধিক সংস্থা এটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রতিবেদন দিলেও সালমান শাহের বাবার মৃত্যুর পর মা তাতে নারাজি দিয়েছেন।

‘মামলার বাদী সালমান শাহের মা লন্ডনে অবস্থান করছেন। করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারণে তিনি দেশে আসতে পারছেন না। তাই নারাজি দেওয়ার জন্য সময় প্রার্থনা করছি।’

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে। ওইদিন সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট আদালতের ডেসপাস শাখায় ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।

প্রতিবেদনটি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে উপস্থাপন করা হলে ঢাকার মেট্রোলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহ তাতে দেখিলাম লিখে স্বাক্ষর করেন। একইসঙ্গে প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে মামলার পরবর্তী তারিখ ৩০ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেন। এরপর করোনা প্রাদুর্ভাবে আদালত বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে আর শুনানি হয়নি।

 

 

লেখক পরিচিতি

Responses