একে.এম নাজিম, হাটহাজারী চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম হাটহাজারী সড়কের ১১ মাইল নামক এলাকায় বেইলী ব্রীজ টি ঝুকিপূর্ণ হওয়ার কারণে ভারী যানবাহন চলাচল ধীরগতি হওয়ায় উক্ত সড়কে প্রতিনিয়তই যানজট দীর্ঘ হচ্ছে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি যাতায়াতের একমাত্র এই হাটহাজারী সড়ক। উক্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলার যানবাহন চলাচল করে থাকে। এই সড়কের ১১ মাইলস্থ এলাকায় ব্রিটিশ শাসন আমলে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের পানি মিঠাছড়া দিয়ে যাতায়াতের জন্য একটি কার্লভাট নির্মাণ করেন। কিন্তু কয়েক মাস পূর্বে এই কার্লভাটটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হলে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ নাম মাত্র গর্তের উপর একটি লোহার পাটাতান দিয়ে ঢেকে দেয় পরে ঐ পাটাতান ভেঙ্গে সাম্পতি মালবাহী একটি ট্রাক আটকা পড়ে এতে করে উক্ত সড়কে তীব্র যানজন সৃষ্টি হয়। এসময় তৎকালীন হাটহাজারী উপজেলা র্নিবাহী অফিসার ইশরাত জাহান পান্না চট্টগ্রাম শহর থেকে আসার সময় উক্ত স্থানে তার গাড়ি থেকে নেমে তাৎখনিক ভাবে সওজ কর্তৃপক্ষেকে ফোন করে এনে কার্লভাটটি মেরামত করে। এরপর কার্লভাটটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ বেইলী ব্রীজে পরিণত করে। বর্তমানে এই ব্রীজটি আনুমানিক ১ বছর অতিক্রম হলেও (সওজ) কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বর্তমানে এই বেইলী ব্রীজটি মারাক্তক ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যে কোন সময় এই ব্রীজটি ভেঙ্গে চট্টগ্রামের সাথে দেশের দুই পার্বত্য জেলাসহ উত্তর চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আশংকা রয়েছে।
বর্তমানে উক্ত সড়কে এই ব্রীজটির কারণে প্রতিনিয়তই যানজন লেগেই আছে। সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন অফিসের কার্মর্কতা-কর্মচারী ও বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, রোগী বহন কারী এ্যম্ববুলেন্স তাদের গন্তব্য স্থল ও কর্মস্থলে পৌছতে বিলম্ব হয়। পাশা পাশি যানজটের কবলে পড়ে দূরপাল্লার যাত্রীদের সীমাহীন দূভোর্গ পোহাতে হয়। এদিকে আসন্ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্টিত হবে এর পূর্বে এই ব্রীজটি মেরামত করা না হলে তীব্র যানজটের শিকার হতে হবে যাত্রী ও পরীক্ষার্থীদের। তাছাড়া চট্টগ্রাম হাটহাজারী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে বিশেষ করে চৌধুরী হাট, চবি ১নং গেইট হইতে হাটহাজারী পর্যন্ত অন্তত পক্ষে এক হাজারের অধিক গর্তের সৃষ্টি হয়। এই গর্ত গুলো হতে গাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে সড়কে বিভিন্ন সময় প্রাণহানীর ঘটনাও ঘটছে। এবং বহু যাত্রীসাধারণ পঙ্গু হচ্ছে। সওজ বিভাগ মাঝে মধ্যে লোক দেখানোর জন্য কয়েকটি গর্তে নি¤œ মানের ইট বালির তালি জোড়া দিয়ে চলে যায় পড়ে আর খবর রাখে না। কিন্তু বৃষ্টি হলেই এই গর্তের উপর যানবাহন চলাচল করলে পুনরাই আবার গর্তের সৃষ্টি হয়। এ সব গর্তের উপর যানচলাচল করলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে যানবাহত গুলো বিকল হয়ে পড়ে ফলে যানজন আরো তীব্র হয়ে উঠে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) এর কোন কর্মর্কতা কথা বলতে রাজি হয়নি। জরুরি ভাবে যেন বেইলী ব্রীজ ও মহাসড়কের মাজে ছোট-বড় গর্ত গুলো মেরামতের দাবী জানান যাত্রীসাধারণ।




Discussion about this post